বিড়ালের যেসব সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখি
- ভ্যাকসিন — ফ্লু ভ্যাকসিন (প্যানলিউকোপেনিয়া, হারপিস, ক্যালিসি) ও র্যাবিস। দেখুন বিড়ালের ভ্যাকসিন গাইড।
- ক্যাট ফ্লু — হাঁচি, চোখে ময়লা, মুখে ঘা, খাওয়া বন্ধ।
- প্যানলিউকোপেনিয়া (ক্যাট পারভো) — বিড়ালছানার তীব্র বমি ও ডায়রিয়া, দ্রুত চিকিৎসা ছাড়া প্রায়ই প্রাণঘাতী। পড়ুন প্যানলিউকোপেনিয়া গাইড।
- প্রস্রাব আটকানো — লিটারে চাপ দেওয়া ছেলে বিড়াল। সবসময় ইমার্জেন্সি।
- এফআইপি — পেটে পানি, না সারা জ্বর, তরুণ বিড়ালের ওজন কমা। আমরা টেস্ট করি ও চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করি।
- চামড়া ও কান — রিংওয়ার্ম, ফ্লি, কানের মাইট, মারামারির ফোড়া।
- স্পে ও নিউটার — দেখুন স্পে-নিউটার সার্জারি।
বিড়ালের জন্য কেন বিড়াল-বোঝা ডাক্তার দরকার
বিড়াল অসুখ লুকিয়ে রাখে। বিড়ালকে যখন অসুস্থ দেখায়, ততক্ষণে সমস্যা প্রায়ই অনেক এগিয়ে যায় — তাই খাওয়া কমা, লুকিয়ে থাকা বা ঘন ঘন লিটারে যাওয়ার মতো ছোট পরিবর্তনেও কল করা উচিত। অনেক ওষুধে বিড়ালের প্রতিক্রিয়াও আলাদা: প্যারাসিটামল, কুকুরের কিছু ফ্লি-ওষুধ, এমনকি কিছু এসেনশিয়াল অয়েলও বিড়ালের জন্য বিষাক্ত। প্রতিদিন বিড়াল দেখা ডাক্তার এসব পার্থক্য জানেন, আর এমনভাবে সামলান যাতে বিড়াল ও আপনার — দুজনেরই চাপ কম থাকে।
বিড়াল নিয়ে আসার সময়
১. নিরাপদ ক্যারিয়ার ব্যবহার করুন — রিকশা বা সিএনজিতে কখনো খোলা বিড়াল নয়। ২. ক্যারিয়ারে বাসার একটা তোয়ালে দিন, পথে ঢেকে রাখুন। ৩. গাড়িতে বমি করলে যাত্রার ঠিক আগে বেশি খাওয়াবেন না। ৪. ভ্যাকসিন কার্ড ও আগের প্রেসক্রিপশন আনুন।
জরুরি কিনা বুঝতে পারছেন না? লক্ষণ যাচাই করুন বা হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন।