অনুমান নয়, পরীক্ষা
অনেক গুরুতর রোগ বাইরে থেকে একই রকম দেখায়। বমি-ডায়রিয়া হওয়া বিড়ালছানার হতে পারে কৃমি, খাবারের সমস্যা — অথবা প্যানলিউকোপেনিয়া, যার জন্য সাথে সাথে আলাদা করে রাখা ও নিবিড় চিকিৎসা দরকার। একটি দ্রুত টেস্ট অনুমানকে সিদ্ধান্তে বদলে দেয়।
রংপুর ক্লিনিকে যেসব টেস্ট হয়
| টেস্ট | যা জানা যায় | সাধারণ ব্যবহার |
|---|---|---|
| সিবিসি | লোহিত ও শ্বেত কণিকা, প্লেটলেট | সংক্রমণ, রক্তশূন্যতা, সার্জারির আগে |
| বায়োকেমিস্ট্রি | কিডনি, লিভার, প্রোটিন, গ্লুকোজ | বয়স্ক প্রাণী, বমি, ওজন কমা |
| এফআইপি / FCoV র্যাপিড টেস্ট | করোনাভাইরাস অ্যান্টিবডি | বিড়ালের এফআইপি নির্ণয়ের অংশ |
| প্যানলিউকোপেনিয়া (FPV) | সক্রিয় “ক্যাট পারভো” | বিড়ালছানার বমি-ডায়রিয়া |
| কুকুরের পারভোভাইরাস | সক্রিয় পারভো | কুকুরছানার রক্ত-পায়খানা ও বমি |
| ডিস্টেম্পার (CDV) | ডিস্টেম্পার সংক্রমণ | কুকুরের কাশি, চোখ-নাকে ময়লা, কাঁপুনি |
| FIV / FeLV | “ক্যাট এইডস” ও লিউকেমিয়া | অসুস্থ বা নতুন বিড়াল |
| ফ্লু র্যাপিড টেস্ট | শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস | হাঁচি, চোখ-নাকে পানি |
| মাইক্রোস্কোপি | মাইট, ফাঙ্গাস, কৃমির ডিম | চামড়া, কান, পায়খানা |
বোঝার মতো ফলাফল
রিপোর্টের সংখ্যা প্রসঙ্গ ছাড়া অর্থহীন। আমরা বসে বুঝিয়ে বলি কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আর ফলাফল কী বদলায়। রিপোর্টের ছবি তুলে নিতে পারেন বা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিতে বলতে পারেন।
চিকিৎসার আগে টেস্ট
“যদি লাগে” ভেবে অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড দিলে আসল সমস্যা লুকিয়ে যায় এবং পরের টেস্ট ভুল হতে পারে। অন্য কোথাও থেকে ওষুধ চললে জানান এবং প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।