আমাদের নামে কেন “কমিউনিটি”
রংপুরের রাস্তায় হাজার হাজার বিড়াল-কুকুরের বাস। বেশিরভাগই আমাদের পাশে শান্তিতে থাকে; কেউ কেউ গাড়ির ধাক্কা খায়, তারে আটকে যায়, পুড়ে যায়, বিষ খায় বা অসুস্থ হয়। কোনো সহৃদয় মানুষ সাহায্য করতে থামলে পরের প্রশ্ন সবসময়: “কোথায় নিয়ে যাব?” — উত্তর এখানে।
আমাদের গুগল রিভিউতেও আছে: “তারা নিজে থেকেই পথের প্রাণীর চিকিৎসা করেন।”
ধাপে ধাপে: আহত প্রাণীকে সাহায্য
১. আগে নিজে নিরাপদ থাকুন — আগে রাস্তার গাড়ি, তারপর প্রাণী। ভীত, আহত প্রাণী কামড়ায়। ২. ছবি তুলুন আর 01783-121256 নম্বরে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন। কীভাবে সরাবেন বলে দেব। ৩. আড়াল ব্যবহার করুন — মোটা তোয়ালে, জ্যাকেট বা ছিদ্রযুক্ত কার্ডবোর্ডের বাক্স। সম্ভব হলে গ্লাভস পরুন। ৪. আস্তে সরান, শরীরে সাপোর্ট দিয়ে। মেরুদণ্ডে আঘাতের সন্দেহ হলে সমতল বোর্ড বা শক্ত কার্ডবোর্ডে তুলে নিন। ৫. যাত্রায় উষ্ণ, শান্ত ও ঢেকে রাখুন। ৬. খাবার, পানি বা ওষুধ দেবেন না — গুরুতর আহত প্রাণীর সার্জারি ও অ্যানেস্থেসিয়া লাগতে পারে।
কামড় বা আঁচড় খেলে
সাবান ও চলমান পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ক্ষত ধুয়ে সেদিনই র্যাবিস টিকার জন্য হাসপাতালে যান। কী লাগবে জানুন আমাদের জলাতঙ্ক গাইডে।
দীর্ঘমেয়াদি সাহায্য
ভ্যাকসিন ও স্পে-নিউটার হলে পথের বিড়াল-কুকুর সুস্থ থাকে, আর কষ্টে জন্মানো বাচ্চার সংখ্যাও কমে। আপনার এলাকা, স্কুল বা সংগঠন কমিউনিটির প্রাণীদের জন্য কিছু করতে চাইলে আমাদের সাথে কথা বলুন।