মূল অংশে যান
প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ১০টা
01783-121256

ভ্যাকসিন · রংপুর

রংপুরে বিড়াল ও কুকুরের ভ্যাকসিন

  • বিড়াল
  • কুকুর
  • দাম জানতে কল করুন

কখন আসবেন

  • বিড়ালছানার বয়স ৮ সপ্তাহ বা কুকুরছানার ৬–৮ সপ্তাহ
  • ভ্যাকসিনের ইতিহাস জানা নেই এমন প্রাপ্তবয়স্ক প্রাণী দত্তক নিয়েছেন
  • কার্ডে লেখা বার্ষিক বুস্টারের তারিখ পার হয়ে গেছে
  • প্রাণী নতুন বাসায়, বোর্ডিংয়ে বা ভ্রমণে যাবে

কীভাবে হয়

  1. ০১

    চেক-আপ ও ওজন

    ছোট একটি পরীক্ষা ও তাপমাত্রা মাপা। অসুস্থ থাকলে আগে চিকিৎসা, পরে ভ্যাকসিন।

  2. ০২

    কৃমিনাশক

    কৃমি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়, তাই প্রথম ডোজের কয়েক দিন আগে কৃমিনাশক দিতে হয়।

  3. ০৩

    ভ্যাকসিন

    চামড়ার নিচে ছোট একটি ইনজেকশন। বেশিরভাগ প্রাণী টেরই পায় না। ব্যাচ নম্বর কার্ডে লেখা হয়।

  4. ০৪

    ২০ মিনিট পর্যবেক্ষণ

    বিরল প্রতিক্রিয়া দেখতে ২০ মিনিট কাছাকাছি অপেক্ষা করুন। পরের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

রংপুরে ভ্যাকসিন কেন এত জরুরি

বাংলাদেশে পোষা প্রাণীর ভ্যাকসিনের পেছনে মূলত দুটি রোগ:

  • জলাতঙ্ক (র‍্যাবিস) — মূলত কুকুরের কামড়ে ছড়ায়, লক্ষণ দেখা দিলে প্রায় শতভাগ মৃত্যু, আর আক্রান্ত প্রাণী বাসার প্রতিটি মানুষের জন্য ঝুঁকি।
  • ফেলাইন প্যানলিউকোপেনিয়া (“ক্যাট পারভো”) ও কুকুরের পারভোভাইরাস — পরিবেশে মাসের পর মাস বেঁচে থাকে, দ্রুত ছড়ায়। ভ্যাকসিন না দেওয়া বাচ্চারাই সবচেয়ে বেশি মারা যায়।

সঠিক বয়সে সঠিক ভ্যাকসিন দিলে দুটোই প্রায় পুরোপুরি প্রতিরোধ করা যায়।

বিড়ালের মূল ভ্যাকসিন

ভ্যাকসিন যে রোগ থেকে সুরক্ষা প্রথম কোর্স বুস্টার
পিউরভ্যাক্স ফেলাইন ৪ (RCPCh) প্যানলিউকোপেনিয়া, হারপিস, ক্যালিসি, ক্ল্যামাইডিয়া ৮ সপ্তাহ থেকে, ৩–৪ সপ্তাহ ব্যবধানে ২ ডোজ প্রতি বছর
বায়োফেল PCH প্যানলিউকোপেনিয়া, ক্যালিসি, হারপিস ১২ সপ্তাহ থেকে, ৩–৪ সপ্তাহ ব্যবধানে ২ ডোজ প্রতি বছর
র‍্যাবিস জলাতঙ্ক প্রায় ১২ সপ্তাহে ১ ডোজ প্রতি বছর

স্থানীয়ভাবে এই কম্বিনেশন ভ্যাকসিনকে “ফ্লু ভ্যাকসিন” বলা হয়, কারণ এটি সর্দি-হাঁচি-চোখে পানির মতো ক্যাট ফ্লু প্রতিরোধ করে — তবে এর সবচেয়ে বড় কাজ প্যানলিউকোপেনিয়া থেকে বাঁচানো।

কুকুরের মূল ভ্যাকসিন

ভ্যাকসিন যে রোগ থেকে সুরক্ষা প্রথম কোর্স বুস্টার
DHPPi+L ডিস্টেম্পার, হেপাটাইটিস, পারভো, প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা, লেপ্টোস্পাইরোসিস ৬–৮ সপ্তাহ থেকে, ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি ৩–৪ সপ্তাহে প্রতি বছর
র‍্যাবিস জলাতঙ্ক ১২ সপ্তাহে ১ ডোজ প্রতি বছর

লেপ্টোস্পাইরোসিস ইঁদুরের প্রস্রাব ও বন্যার পানিতে ছড়ায় — উত্তরবঙ্গের বর্ষায় এটা বাস্তব ঝুঁকি, তাই আমরা এটি রাখি।

আপনার প্রাণীর নির্দিষ্ট তারিখ জানতে চান? ভ্যাকসিন শিডিউল টুলে জন্ম তারিখ দিলেই পুরো ক্যালেন্ডার তৈরি হয়ে যাবে, ফোনে রিমাইন্ডারও রাখা যাবে।

দেরি, বাদ পড়া বা অজানা ভ্যাকসিন

  • দ্বিতীয় ডোজ বাদ পড়েছে? যত দ্রুত সম্ভব আসুন। প্রায় ছয় সপ্তাহের বেশি পেরিয়ে গেলে কোর্স নতুন করে শুরু করতে হতে পারে।
  • ইতিহাস অজানা প্রাপ্তবয়স্ক? ভ্যাকসিন হয়নি ধরে নিন: ৩–৪ সপ্তাহ ব্যবধানে দুই ডোজ কম্বিনেশন আর একটি র‍্যাবিস, তারপর প্রতি বছর।
  • দেরিতে শুরু? বয়স বেশি হলে ভ্যাকসিনের কারণে বাড়তি কোনো ঝুঁকি নেই — শুধু সুরক্ষা দেরিতে শুরু হয়। সুস্থ থাকলেই শুরু করুন।

ভ্যাকসিনের মান কীভাবে রক্ষা করি

ভ্যাকসিন ভালো থাকে সঠিক সংরক্ষণে। লোডশেডিংয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া দোকানের ফ্রিজে রাখা ভ্যাকসিন বাইরে থেকে দেখে বোঝা না গেলেও কার্যকারিতা হারাতে পারে। আমরা আলাদা, তাপমাত্রা-নিয়ন্ত্রিত ফ্রিজে ভ্যাকসিন রাখি এবং বাসায় নিয়ে দেওয়ার জন্য কখনো ভ্যাকসিন বিক্রি করি না।

ইনজেকশনের পর

সেদিন প্রাণীকে ঘরে শান্ত রাখুন। একটু ঝিমানো বা ইনজেকশনের জায়গায় ছোট ফোলা স্বাভাবিক। মনে রাখবেন, পূর্ণ সুরক্ষা আসতে সময় লাগে: কম্বিনেশন ভ্যাকসিনের শেষ ডোজের প্রায় দুই সপ্তাহ পর, আর র‍্যাবিসের প্রথম ডোজের প্রায় ২৮ দিন পর। ততদিন বাচ্চাদের অচেনা প্রাণী থেকে দূরে রাখুন।

আপনার প্রাণী বা কোনো মানুষকে অচেনা প্রাণী কামড় বা আঁচড় দিলে এখনই জলাতঙ্ক গাইড দেখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বিড়ালছানাকে প্রথম ভ্যাকসিন কখন দিতে হয়?

পিউরভ্যাক্স হলে ৮ সপ্তাহ থেকে, বায়োফেল PCH হলে ১২ সপ্তাহ থেকে; ৩–৪ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ। র‍্যাবিস প্রায় ১২ সপ্তাহে। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের বাচ্চার ক্ষেত্রে ডাক্তার সময় বদলাতে পারেন।

কুকুরছানাকে ভ্যাকসিন কখন দিতে হয়?

DHPPi+L সিরিজ ৬–৮ সপ্তাহে শুরু, ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি ৩–৪ সপ্তাহে একবার; ১২ সপ্তাহে র‍্যাবিস। এরপর প্রতি বছর বুস্টার।

ঘরে থাকা বিড়ালের কি র‍্যাবিস ভ্যাকসিন লাগে?

হ্যাঁ। বাংলাদেশে জলাতঙ্ক ব্যাপক, প্রায় শতভাগ প্রাণঘাতী, আর ঘরের বিড়ালও মাঝে মাঝে বাইরে চলে যায় বা অন্য প্রাণীর কামড় খায়। বছরে একবার র‍্যাবিস ভ্যাকসিন আপনার বিড়াল ও পরিবার দুজনকেই সুরক্ষা দেয়।

অসুস্থ অবস্থায় ভ্যাকসিন দেওয়া যায়?

না। জ্বর, ডায়রিয়া বা সংক্রমণ থাকলে ভ্যাকসিন কাজ নাও করতে পারে এবং প্রাণী আরও খারাপ বোধ করতে পারে। বিশেষ প্রয়োজনে ডাক্তার অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

ভ্যাকসিন দেওয়ার পরও বিড়ালের ফ্লু হলো কেন?

ভ্যাকসিন ঝুঁকি ও তীব্রতা অনেক কমায়, তবে শতভাগ নয়। ছোট বয়সে মায়ের দুধের অ্যান্টিবডি, দ্বিতীয় ডোজ বাদ পড়া, ভুল তাপমাত্রায় রাখা ভ্যাকসিন বা আগে থেকেই সংক্রমণ থাকলে সুরক্ষা কমে যায়।

ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী?

একদিন একটু ঝিমানো, ইনজেকশনের জায়গায় ছোট ফোলা বা খাওয়া কম — এগুলো সাধারণ এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। মুখ ফোলা, বমি বা নেতিয়ে পড়া বিরল — দেখলে সাথে সাথে কল করুন।

গাইড

ভ্যাকসিন ৫ মিনিটে পড়া

বিড়ালের ভ্যাকসিন সমাচার — কখন, কোনটা, কতবার

বিড়ালকে কখন কোন ভ্যাকসিন দেবেন, কয় ডোজ, কতদিন পরপর — ফ্লু ও র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের পুরো শিডিউল, দেরি হলে বা অসুস্থ হলে করণীয়, রংপুরের ডাক্তারের লেখা।

ভ্যাকসিন ২ মিনিটে পড়া

কুকুর ও কুকুরছানার ভ্যাকসিন শিডিউল (বাংলাদেশ)

বাংলাদেশের প্রতিটি কুকুরের যে ভ্যাকসিন দরকার — DHPPi+L ও র‍্যাবিস — কুকুরছানার সময়সূচি, বার্ষিক বুস্টার আর ডোজ বাদ পড়লে কী করবেন।

রোগবালাই ৩ মিনিটে পড়া

বিড়ালের প্যানলিউকোপেনিয়া (ক্যাট পারভো) — লক্ষণ ও চিকিৎসা

বাংলাদেশে ভ্যাকসিন না দেওয়া অনেক বিড়ালছানা প্যানলিউকোপেনিয়ায় মারা যায়। শুরুর লক্ষণ, কীভাবে টেস্ট ও চিকিৎসা হয়, ঘর পরিষ্কার ও প্রতিরোধের উপায় জানুন।

আপনার প্রাণীকে নিয়ে চিন্তিত? এখনই কথা বলুন।

ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন — দিন-রাত আমরা উত্তর দিই। জরুরি না হলে সরাসরি ক্লিনিকে চলে আসুন, সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা।