কৃমি: চুপচাপ সমস্যা
গোলকৃমি, হুকওয়ার্ম ও ফিতাকৃমি উত্তরবঙ্গে খুব সাধারণ, বিশেষ করে বিড়ালছানা ও কুকুরছানায় — মায়ের দুধ থেকেই অনেক সময় কৃমি পায়। বেশি কৃমিতে পেট ফোলা, ডায়রিয়া, রক্তশূন্যতা ও বৃদ্ধি কমে যায় — আর ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাও কমে।
আমাদের সুপারিশকৃত শিডিউল
| বয়স | কৃমিনাশক কতদিন পরপর |
|---|---|
| ২/৩ সপ্তাহ থেকে ১২ সপ্তাহ | প্রতি ২ সপ্তাহে |
| ৩ থেকে ৬ মাস | প্রতি মাসে |
| প্রাপ্তবয়স্ক | প্রতি ৩ মাসে (শিকারি বা ঝুঁকিপূর্ণ হলে প্রতি মাসে) |
| গর্ভবতী বা দুধ খাওয়ানো মা | শুধু ডাক্তারের পরামর্শে |
কৃমিনাশক শিডিউল টুল আপনার প্রাণীর তারিখগুলো ফোনের ক্যালেন্ডারে যোগ করে দেবে।
ফ্লি ও টিক
- ফ্লি চুলকানি, অ্যালার্জি ও বিড়ালছানার রক্তশূন্যতা ঘটায়, আর গ্রুমিংয়ের সময় গিলে ফেললে ফিতাকৃমি ছড়ায়।
- টিক কুকুরের জন্য বড় বিপদ — রক্তের পরজীবী ছড়ায় যা প্রাণঘাতী হতে পারে।
প্রাণীর গায়ে একটা ফ্লি দেখা মানে বিছানা ও ঘরের কোণে আরও অনেক ডিম ও লার্ভা। কীভাবে ঘর ও বাসার সব প্রাণীর একসাথে চিকিৎসা করবেন, বুঝিয়ে বলি।
কানের মাইট ও মেঞ্জ
বিড়ালছানার কানে কালো কফির গুঁড়ার মতো ময়লা আর অনবরত মাথা ঝাঁকানো মানে প্রায় সবসময় কানের মাইট — এক ভিজিটেই চিকিৎসা শুরু। কুকুরের খোসাযুক্ত চুলকানো চামড়া হতে পারে সারকপটিক মেঞ্জ (ছোঁয়াচে, মানুষেও) বা ডেমোডেক্স; মাইক্রোস্কোপে স্কিন স্ক্র্যাপিং দেখে বোঝা যায়।
“ঘরোয়া চিকিৎসা” নিয়ে সতর্কতা
কেরোসিন, সরিষার তেল, ফিনাইল আর মানুষের উকুনের শ্যাম্পু এখনো প্রাণীর গায়ে দেওয়া হয়। এগুলো চামড়া পোড়ায়, চাটলে বিষক্রিয়া হয়, আর ঠিকমতো কাজও করে না। বরং নিয়ে আসুন — সঠিক ওষুধ নিরাপদ এবং শেষমেশ খরচও কম।