মূল অংশে যান
প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ১০টা
01783-121256

কৃমি ও পরজীবী · রংপুর

রংপুরে কৃমিনাশক, ফ্লি, টিক ও মাইটের চিকিৎসা

  • বিড়াল
  • কুকুর
  • দাম জানতে কল করুন

কখন আসবেন

  • পায়খানা বা বমিতে কৃমি, বা লেজের কাছে চালের দানার মতো অংশ
  • বাচ্চার পেট ফোলা
  • চুলকানি, লোমে কালো দাগ (ফ্লির ময়লা), কানে বা আঙুলের ফাঁকে টিক
  • মাথা ঝাঁকানো ও কানে কালো ময়লা
  • লোম পড়া, খোসা বা চামড়া মোটা হয়ে যাওয়া

কীভাবে হয়

  1. ০১

    ওজন ও পরীক্ষা

    সঠিক ওজন মানে সঠিক ডোজ। লোম, কান ও চামড়ায় সক্রিয় পরজীবী দেখা হয়।

  2. ০২

    এখনকার চিকিৎসা

    কৃমি, ফ্লি, টিক বা মাইটের চিকিৎসা একই দিনে, প্রাণী ও বয়সের উপযোগী ওষুধে।

  3. ০৩

    প্রতিরোধের পরিকল্পনা

    আপনার প্রাণীর জীবনযাপন ও বাজেট অনুযায়ী কৃমিনাশক ও ফ্লি-টিক প্রতিরোধের ক্যালেন্ডার।

কৃমি: চুপচাপ সমস্যা

গোলকৃমি, হুকওয়ার্ম ও ফিতাকৃমি উত্তরবঙ্গে খুব সাধারণ, বিশেষ করে বিড়ালছানা ও কুকুরছানায় — মায়ের দুধ থেকেই অনেক সময় কৃমি পায়। বেশি কৃমিতে পেট ফোলা, ডায়রিয়া, রক্তশূন্যতা ও বৃদ্ধি কমে যায় — আর ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাও কমে।

আমাদের সুপারিশকৃত শিডিউল

বয়স কৃমিনাশক কতদিন পরপর
২/৩ সপ্তাহ থেকে ১২ সপ্তাহ প্রতি ২ সপ্তাহে
৩ থেকে ৬ মাস প্রতি মাসে
প্রাপ্তবয়স্ক প্রতি ৩ মাসে (শিকারি বা ঝুঁকিপূর্ণ হলে প্রতি মাসে)
গর্ভবতী বা দুধ খাওয়ানো মা শুধু ডাক্তারের পরামর্শে

কৃমিনাশক শিডিউল টুল আপনার প্রাণীর তারিখগুলো ফোনের ক্যালেন্ডারে যোগ করে দেবে।

ফ্লি ও টিক

  • ফ্লি চুলকানি, অ্যালার্জি ও বিড়ালছানার রক্তশূন্যতা ঘটায়, আর গ্রুমিংয়ের সময় গিলে ফেললে ফিতাকৃমি ছড়ায়।
  • টিক কুকুরের জন্য বড় বিপদ — রক্তের পরজীবী ছড়ায় যা প্রাণঘাতী হতে পারে।

প্রাণীর গায়ে একটা ফ্লি দেখা মানে বিছানা ও ঘরের কোণে আরও অনেক ডিম ও লার্ভা। কীভাবে ঘর ও বাসার সব প্রাণীর একসাথে চিকিৎসা করবেন, বুঝিয়ে বলি।

কানের মাইট ও মেঞ্জ

বিড়ালছানার কানে কালো কফির গুঁড়ার মতো ময়লা আর অনবরত মাথা ঝাঁকানো মানে প্রায় সবসময় কানের মাইট — এক ভিজিটেই চিকিৎসা শুরু। কুকুরের খোসাযুক্ত চুলকানো চামড়া হতে পারে সারকপটিক মেঞ্জ (ছোঁয়াচে, মানুষেও) বা ডেমোডেক্স; মাইক্রোস্কোপে স্কিন স্ক্র্যাপিং দেখে বোঝা যায়।

“ঘরোয়া চিকিৎসা” নিয়ে সতর্কতা

কেরোসিন, সরিষার তেল, ফিনাইল আর মানুষের উকুনের শ্যাম্পু এখনো প্রাণীর গায়ে দেওয়া হয়। এগুলো চামড়া পোড়ায়, চাটলে বিষক্রিয়া হয়, আর ঠিকমতো কাজও করে না। বরং নিয়ে আসুন — সঠিক ওষুধ নিরাপদ এবং শেষমেশ খরচও কম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কতদিন পরপর বিড়াল বা কুকুরকে কৃমিনাশক দিতে হয়?

১২ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত প্রতি দুই সপ্তাহে, ছয় মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে, তারপর সারাজীবন প্রতি তিন মাসে। যারা বাইরে যায়, শিকার করে বা ছোট শিশুর সাথে থাকে তাদের আরও ঘন ঘন লাগতে পারে।

কুকুরের ফ্লি-ওষুধ কি বিড়ালকে দেওয়া যায়?

না। কুকুরের অনেক স্পট-অনে পারমেথ্রিন থাকে, যা বিড়ালের কাঁপুনি, খিঁচুনি ও মৃত্যু ঘটায়। সবসময় বিড়ালের লেবেলযুক্ত ওষুধ, সঠিক ওজনে ব্যবহার করুন।

বাংলাদেশে কি টিক কুকুরের জন্য বিপজ্জনক?

হ্যাঁ। টিক ব্যাবেসিয়া ও এরলিকিয়ার মতো রক্তের পরজীবী ছড়ায়, যাতে জ্বর, রক্তশূন্যতা ও রক্তপাত হয়। গরম ও আর্দ্র মাসগুলোতে টিক প্রতিরোধ সবচেয়ে জরুরি।

পোষা প্রাণী থেকে কি মানুষের কৃমি হয়?

কিছু গোলকৃমি ও হুকওয়ার্ম মানুষকে, বিশেষ করে শিশুদের, আক্রান্ত করতে পারে। নিয়মিত কৃমিনাশক, হাত ধোয়া ও প্রতিদিন লিটার পরিষ্কার পরিবারকে সুরক্ষা দেয়।

গাইড

দৈনন্দিন যত্ন ২ মিনিটে পড়া

বিড়াল ও কুকুরের কৃমিনাশক — কতদিন পরপর, কেন জরুরি

বিড়ালছানা ও কুকুরছানার প্রতি ২ সপ্তাহে, তারপর প্রতি মাসে, তারপর প্রতি ৩ মাসে কৃমিনাশক। পুরো শিডিউল, বাংলাদেশে কোন কৃমি সাধারণ, আর সঠিক ডোজের নিয়ম।

আপনার প্রাণীকে নিয়ে চিন্তিত? এখনই কথা বলুন।

ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন — দিন-রাত আমরা উত্তর দিই। জরুরি না হলে সরাসরি ক্লিনিকে চলে আসুন, সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা।