মূল অংশে যান
প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ১০টা
01783-121256

বিনামূল্যে টুল · কমিউনিটি পেট কেয়ার

আমার বিড়াল বা কুকুর কি এটা খেতে পারে?

৫৫টির বেশি খাবার ও ঘরোয়া জিনিস খুঁজুন — চকলেট, লিলি থেকে চানাচুর, আমের আঁটি, পান-সুপারি পর্যন্ত — কোনটা নিরাপদ দেখুন।

খেয়ে ফেলেছে? এখনই কল করুন: 01783-121256

খাবার ও জিনিসের তালিকা

  • অ্যালকোহল

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    অল্প পরিমাণেও বমি, টলমল, রক্তে শর্করা কমা ও শ্বাসকষ্ট হয়।

  • অ্যালোভেরা

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    চিবালে এর রস বমি ও ডায়রিয়া ঘটায়।

  • আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক ও অ্যাসপিরিন

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    অল্প ডোজেও বিড়াল-কুকুরের পাকস্থলীতে আলসার ও কিডনি বিকল করে।

  • আইসক্রিম

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    ল্যাকটোজ, চিনি, কখনো চকলেট বা জাইলিটল থাকে। এক চাটায় ক্ষতি নেই, এক বাটি ক্ষতিকর।

  • আঙুর ও কিশমিশ

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: বিপজ্জনক

    অল্প পরিমাণেও কুকুরের হঠাৎ কিডনি বিকল হতে পারে। মিষ্টি, পোলাও ও কেকের কিশমিশ থেকে সাবধান।

  • আপেল (বিচি ও মাঝের অংশ ছাড়া)

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: নিরাপদ

    কুকুরের জন্য কম ক্যালরির ভালো ট্রিট। বিচিতে সায়ানাইড-জাতীয় উপাদান আছে।

  • আম (শাঁস)

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: নিরাপদ

    কুকুরের জন্য পাকা আমের কয়েক টুকরা ঠিক আছে। খোসা ও আঁটি সরিয়ে দিন।

  • আমের আঁটি

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    গরমকালে কুকুরের অন্ত্র আটকানোর সাধারণ কারণ। আঁটি চিবানোর পর বমি করলে ডাক্তার দেখান।

  • ইঁদুর মারার বিষ

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    অনেক বিষ কয়েক দিন পর অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ঘটায় — শুরুতে লক্ষণ না-ও থাকতে পারে। শুরুতেই প্রতিষেধক দিলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। প্যাকেট সাথে আনুন।

  • এসেনশিয়াল অয়েল (টি-ট্রি, ইউক্যালিপটাস)

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: সাবধানে, অল্প

    বিড়াল অনেক এসেনশিয়াল অয়েল হজম করতে পারে না — ডিফিউজার বা স্কিন প্রোডাক্ট থেকেও লালা পড়া, টলমল ও লিভারের ক্ষতি হতে পারে।

  • করবী ফুল

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    বাংলাদেশে সাধারণ বাগানের গাছ — এর হৃদ্‌বিষ অল্প পরিমাণেও প্রাণঘাতী হতে পারে।

  • কলা

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: নিরাপদ

    কয়েক টুকরা কুকুরের জন্য ভালো ট্রিট। চিনি বেশি, তাই অল্প দিন।

  • কাঁচা আলু

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    কাঁচা ও সবুজ আলুতে সোলানিন আছে। সেদ্ধ আলু অল্প পরিমাণে কুকুরের জন্য ঠিক আছে।

  • কাঁচা খামির (ইস্ট দেওয়া আটা)

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    গরম পাকস্থলীতে ফুলে ব্যথাদায়ক পেট ফাঁপা করে এবং গাঁজন হয়ে অ্যালকোহল তৈরি করে।

  • কাঁচা টমেটো ও টমেটো গাছ

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    সবুজ অংশে সোলানিন আছে। পাকা টমেটো অল্প চলে; পাতা ও ডাঁটা নয়।

  • কাঁচা মাছ

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    নিয়মিত কাঁচা মাছ বিড়ালের ভিটামিন বি১ নষ্ট করতে পারে এবং পরজীবী থাকতে পারে। রান্না করে দিন।

  • কাঁঠাল

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    কুকুর সাধারণত অল্প পাকা কোয়া সহ্য করে; বিচি ও খোসা নয়। বেশি খেলে ডায়রিয়া।

  • কীটনাশক

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    লালা পড়া, চোখের মণি ছোট হওয়া, কাঁপুনি ও শ্বাসকষ্ট। চামড়ায় লাগলে সাবান-পানিতে ধুয়ে ক্লিনিকে আসুন।

  • কুকুরের খাবার (বিড়ালকে খাওয়ানো)

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: নিরাপদ

    বিড়ালের প্রয়োজনীয় টরিন ও প্রোটিন নেই — দীর্ঘদিন খেলে হৃদ্‌রোগ ও চোখের রোগ হয়। কুকুরকে মাঝে মাঝে বিড়ালের খাবার দিলে বিপদ নেই, তবে বেশি ভারী।

  • কুকুরের ফ্লি স্পট-অন (পারমেথ্রিন) বিড়ালে

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: নিরাপদ

    পারমেথ্রিন বিড়ালের কাঁপুনি, খিঁচুনি ও মৃত্যু ঘটায়। শুধু বিড়ালের লেবেলযুক্ত পণ্য ব্যবহার করুন, আর ওষুধ দেওয়া কুকুরকে শুকানো পর্যন্ত বিড়াল থেকে দূরে রাখুন।

  • কুরবানির মাংস, চর্বি ও ভুঁড়ি (ঈদ)

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    মসলা ছাড়া রান্না করা চর্বিহীন মাংসের ছোট টুকরা চলে। ঈদে চর্বি, মসলাদার মাংস ও হাড় প্যানক্রিয়াটাইটিস ও অন্ত্র আটকানোর কারণ — প্রতি বছর দেখি।

  • কেরোসিন, পেট্রোল ও মবিল

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    উকুন বা চুলকানির জন্য কেউ কেউ লাগান — চামড়া পোড়ায় ও চাটলে ফুসফুসের ক্ষতি করে। বমি করাবেন না।

  • গরুর দুধ

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্ক বিড়াল ও অনেক কুকুর ল্যাকটোজ হজম করতে পারে না — ডায়রিয়া হয়। বিড়ালছানাকে কখনো নয়, কিটেন মিল্ক রিপ্লেসার দিন।

  • গাজর ও শসা

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: নিরাপদ

    কুকুরের জন্য ভালো কুড়মুড়ে ট্রিট। বিড়ালের সবজি দরকার নেই, তবে অল্পে ক্ষতি নেই।

  • ঘি, তেল ও ভাজাপোড়া

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    বেশি চর্বিযুক্ত খাবার ব্যথাদায়ক প্যানক্রিয়াটাইটিসের সাধারণ কারণ।

  • চকলেট ও কোকো

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    থিওব্রোমিন ও ক্যাফেইন বমি, অস্থিরতা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, কাঁপুনি ও খিঁচুনি ঘটায়। ডার্ক ও বেকিং চকলেট সবচেয়ে বিপজ্জনক।

  • চা ও কফি

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    ক্যাফেইন অস্থিরতা, দ্রুত হৃদস্পন্দন ও কাঁপুনি ঘটায়। টি-ব্যাগ ও কফির গুঁড়া সবচেয়ে ঘন।

  • চানাচুর, চিপস ও নোনতা নাস্তা

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    লবণ, মরিচ, তেল, প্রায়ই পেঁয়াজ-রসুনের গুঁড়া। অল্পেই বমি ও পিপাসা; বেশি হলে লবণ বিষক্রিয়া।

  • টক দই

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    এক চামচ চিনি ছাড়া টক দই সাধারণত ঠিক আছে। মিষ্টি দই অনেক চিনিযুক্ত।

  • তরকারি, বিরিয়ানি ও ভুনার উচ্ছিষ্ট

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    সাধারণত পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, লবণ ও তেল থাকে — রক্তশূন্যতা, পেটের সমস্যা ও প্যানক্রিয়াটাইটিসের কারণ।

  • তরমুজ

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: নিরাপদ

    বিচি ও খোসা ছাড়া শাঁস গরমে পানির চাহিদা মেটায়।

  • নারকেল

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    চর্বিযুক্ত — শুধু অল্প। খোসা বা ছোবড়া নয়।

  • ন্যাপথলিন

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    লোহিত রক্তকণিকা ও লিভারের ক্ষতি করে। আলমারি বন্ধ রাখুন।

  • পান, সুপারি ও জর্দা

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    সুপারির অ্যারিকোলিন আর জর্দা-তামাকের নিকোটিন লালা পড়া, বমি, কাঁপুনি ও হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা করে।

  • পেঁপে

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: নিরাপদ

    পাকা শাঁস অল্প পরিমাণে; বিচি ও খোসা নয়।

  • পেঁয়াজ

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: দেবেন না

    কাঁচা, রান্না, ভাজা বা গুঁড়া — যেকোনোভাবে লোহিত রক্তকণিকা নষ্ট করে কয়েক দিন পর রক্তশূন্যতা ঘটায়। বিড়াল বেশি সংবেদনশীল।

  • পেয়ারা

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    পাকা পেয়ারার ছোট টুকরা ঠিক আছে; শক্ত বিচি পেট খারাপ করতে পারে।

  • প্যারাসিটামল (নাপা, এইস)

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    একটি ট্যাবলেটেই বিড়াল মারা যেতে পারে — লোহিত রক্তকণিকা ও লিভার নষ্ট করে। পোষা প্রাণীকে কখনো মানুষের ব্যথার ওষুধ দেবেন না।

  • ফিনাইল, ব্লিচ ও ফ্লোর ক্লিনার

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: দেবেন না

    ফেনলযুক্ত ক্লিনার থাবা থেকে চেটেও বিড়ালের জন্য বিষাক্ত। মেঝে শুকিয়ে পানি দিয়ে মুছে তারপর প্রাণী হাঁটতে দিন।

  • ব্যাটারি

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    চিবানো বা গিলে ফেলা ব্যাটারি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মুখ ও অন্ত্র পুড়িয়ে দেয়।

  • মরিচ ও ঝাল খাবার

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    মুখ ও পেটে জ্বালা করে — লালা পড়া, বমি ও ডায়রিয়া।

  • মাছের কাঁটা (বিশেষ করে ইলিশ)

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    সূক্ষ্ম কাঁটা মুখে ও গলায় আটকে যায়। মাছ খাওয়ার পর মুখে পা দেওয়া, লালা পড়া বা ওয়াক করলে ক্লিনিকে আনুন।

  • মানিপ্ল্যান্ট ও ডাইফেনবেকিয়া

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    ক্যালসিয়াম অক্সালেট মুখে ব্যথা, লালা পড়া ও বমি ঘটায়। সাধারণত প্রাণঘাতী নয়, তবে খুব কষ্টদায়ক।

  • মানুষের অন্যান্য ওষুধ ও ভিটামিন

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    আয়রন ট্যাবলেট, বিষণ্নতা, হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের ওষুধ প্রায়ই বিষক্রিয়ার কারণ। নাগালের বাইরে রাখুন, চিবালে কল করুন।

  • মিষ্টি, পিঠা ও মিষ্টান্ন

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    নিজে বিষাক্ত নয়, তবে চিনি ও ঘি পেট খারাপ ও প্যানক্রিয়াটাইটিস ঘটাতে পারে। কিছুতে কিশমিশ বা জাইলিটল থাকে।

  • ম্যাকাডেমিয়া ও লবণযুক্ত বাদাম

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    ম্যাকাডেমিয়া কুকুরের দুর্বলতা ও কাঁপুনি ঘটায়; লবণযুক্ত বাদাম পেট খারাপ করে। লবণ ছাড়া কয়েকটা চিনাবাদাম সাধারণত কুকুর সহ্য করে।

  • রসুন

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: দেবেন না

    পেঁয়াজের মতোই ক্ষতি করে, প্রতি গ্রামে আরও বেশি। রসুনযুক্ত খাবার দেবেন না।

  • রান্না করা মাছ (কাঁটা ছাড়া)

    বিড়াল: নিরাপদ কুকুর: নিরাপদ

    পরিমিত পরিমাণে ভালো প্রোটিন। সব কাঁটা সরান; লবণাক্ত, ভাজা বা তরকারির মাছ দেবেন না।

  • রান্না করা হাড় (মুরগি, গরু, খাসি)

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: দেবেন না

    রান্না করা হাড় ভেঙে ধারালো হয়, অন্ত্র ফুটো বা আটকে দিতে পারে। গিলে ফেলার পর বমি, কষ্ট বা খাওয়া বন্ধ হলে কল করুন।

  • রান্না মিষ্টি কুমড়া

    বিড়াল: নিরাপদ কুকুর: নিরাপদ

    মসলা ছাড়া রান্না কুমড়া নরম আঁশ — হালকা কোষ্ঠকাঠিন্য বা পাতলা পায়খানায় উপকারী।

  • লিচু

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    শুধু খোসা ও বিচি ছাড়া পাকা শাঁস, খুব অল্প। বিচি গলায় আটকানো ও অন্ত্র বন্ধের ঝুঁকি; কাঁচা লিচু দেবেন না।

  • লিলি ফুল

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: সাবধানে, অল্প

    পাপড়ি, পাতা, রেণু, ফুলদানির পানি — সবকিছুই বিড়ালের মারাত্মক কিডনি বিকল করতে পারে। শুধু রেণু চাটলেও ইমার্জেন্সি।

  • সাদা ভাত

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: নিরাপদ

    অল্প পরিমাণে নিরাপদ, পেট খারাপে হালকা খাবার হিসেবেও কাজে লাগে। বিড়ালের মাংস দরকার — ভাত যেন খাবারের মূল অংশ না হয়।

  • সাধারণ রান্না ডাল

    বিড়াল: সাবধানে, অল্প কুকুর: সাবধানে, অল্প

    পেঁয়াজ-রসুন বা ফোড়ন ছাড়া অল্প ডাল চলে — তবে মাংসের প্রোটিনের বিকল্প নয়।

  • সিগারেট ও তামাক

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: বিপজ্জনক

    নিকোটিন বিষক্রিয়া এক ঘণ্টার মধ্যে শুরু হতে পারে — সিগারেটের ফিল্টার থেকেও।

  • সুগার-ফ্রি চুইংগাম ও মিষ্টি (জাইলিটল)

    বিড়াল: দেবেন না কুকুর: বিপজ্জনক

    জাইলিটল কুকুরের রক্তে শর্করা হঠাৎ কমিয়ে দেয় ও লিভার বিকল করে। চুইংগাম, মিন্ট ও কিছু পিনাট বাটারের লেবেল দেখুন।

  • সুতা, দড়ি, রাবার ব্যান্ড ও চুলের ব্যান্ড

    বিড়াল: বিপজ্জনক কুকুর: দেবেন না

    গিলে ফেলা সুতা অন্ত্র কুঁচকে দিতে পারে। মুখ বা পায়ুপথে সুতা দেখলে টানবেন না — ক্লিনিকে আসুন।

  • সেদ্ধ ডিম

    বিড়াল: নিরাপদ কুকুর: নিরাপদ

    তেল-লবণ ছাড়া সেদ্ধ বা ভাজি মাঝে মাঝে ভালো ট্রিট। কাঁচা ডিম এড়িয়ে চলুন।

  • সেদ্ধ মুরগি (হাড় ছাড়া)

    বিড়াল: নিরাপদ কুকুর: নিরাপদ

    চমৎকার প্রোটিন — মসলা ছাড়া, চামড়া ও হাড় ছাড়া।

সব হিসাব আপনার ফোনেই হয় — কোনো তথ্য সংরক্ষণ বা পাঠানো হয় না। এটি সাধারণ নির্দেশিকা; আপনার প্রাণীর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

প্রাণী বিষাক্ত কিছু খেয়ে ফেললে

১. শান্ত থাকুন এবং বাকি জিনিসটা নাগালের বাইরে সরান। ২. লিখে রাখুন কী খেয়েছে, আনুমানিক কতটুকু, কখন। প্যাকেট রেখে দিন। ৩. এখনই 01783-121256 নম্বরে কল করুন — দিন বা রাত। ৪. ডাক্তার না বললে লবণ-পানি, তেল, দুধ দেবেন না বা বমি করানোর চেষ্টা করবেন না। কিছু জিনিস বমির সাথে উঠে আরও ক্ষতি করে।

সময়ই আসল: প্রথম এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে আনলে অনেক বিষক্রিয়ার ভালো চিকিৎসা করা যায়।

বিড়াল আর কুকুর কেন আলাদা

প্যারাসিটামল বা পারমেথ্রিনের (কুকুরের অনেক ফ্লি-ওষুধে থাকে) মতো জিনিস ভাঙার জন্য বিড়ালের লিভারে কিছু এনজাইম নেই, তাই কুকুর বা মানুষের জন্য নিরাপদ অল্প পরিমাণও বিড়ালকে মেরে ফেলতে পারে। অন্যদিকে কুকুর একসাথে অনেক খেয়ে ফেলে — পুরো একটা চকলেট বা এক প্যাকেট আঙুর।

আমাদের ক্লিনিকে সবচেয়ে বেশি যা দেখি

রংপুরে খাবারজনিত সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো পেঁয়াজ-রসুনসহ তরকারির উচ্ছিষ্ট, মুখে বা গলায় আটকে যাওয়া মাছের কাঁটা, চানাচুর ও নোনতা নাস্তা, আর উৎসবে মিষ্টি ও পিঠা। কুকুর পুরো গিলে ফেললে আমের আঁটি আর ভুট্টার শাঁস অন্ত্র আটকে দিতে পারে। ঈদুল আজহায় কুরবানির চর্বি আর হাড় প্রতি বছর অনেক প্রাণীকে অসুস্থ করে।

এই তালিকা সাধারণ নির্দেশনা। বিষের প্রভাব নির্ভর করে পরিমাণ, প্রাণীর আকার ও স্বাস্থ্যের ওপর। সন্দেহ হলে ডাক্তারকে কল করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বিড়াল কি ভাত খেতে পারে?

অল্প সাদা ভাত বেশিরভাগ বিড়ালের জন্য নিরাপদ, তবে পুষ্টিমূল্য কম। বিড়ালের প্রাণিজ প্রোটিন ও টরিন দরকার, তাই ভাত কখনো খাবারের মূল অংশ হওয়া উচিত নয়।

কুকুরকে কি তরকারি বা বিরিয়ানির উচ্ছিষ্ট দেওয়া যায়?

না। তরকারি ও বিরিয়ানিতে সাধারণত পেঁয়াজ-রসুন থাকে, যা বিড়াল-কুকুরের লোহিত রক্তকণিকা নষ্ট করে; সাথে লবণ, তেল ও মসলা পেট খারাপ ও প্যানক্রিয়াটাইটিস ঘটায়।

মাছ কি বিড়ালের জন্য ভালো?

কাঁটা ছাড়া রান্না করা মাছ পরিমিত পরিমাণে ভালো প্রোটিন। সব কাঁটা সরান (বিশেষ করে ইলিশের সূক্ষ্ম কাঁটা), লবণাক্ত বা ভাজা মাছ দেবেন না, আর নিয়মিত কাঁচা মাছ নয় — এতে ভিটামিন বি১ নষ্ট হয়।

কুকুর চকলেট খেয়ে ফেলেছে। কী করব?

সাথে সাথে ডাক্তারকে কল করুন — চকলেটের ধরন (ডার্ক সবচেয়ে খারাপ), পরিমাণ ও কুকুরের ওজন জানান। ডাক্তার না বললে বাসায় বমি করাবেন না। লক্ষণ — বমি, অস্থিরতা, দ্রুত হৃদস্পন্দন ও কাঁপুনি।

লিলি ফুল কি সত্যিই বিড়ালের জন্য বিপজ্জনক?

হ্যাঁ — পাপড়ি, পাতা, রেণু, এমনকি ফুলদানির পানিও বিড়ালের মারাত্মক কিডনি বিকল করতে পারে। শুধু লোম থেকে রেণু চাটলেও ইমার্জেন্সি।

গাইড

খাবার ও পুষ্টি ৩ মিনিটে পড়া

বিড়ালকে কী খাওয়াবেন, কতটুকু খাওয়াবেন — ডাক্তারের গাইড

শুকনো খাবার, ভেজা খাবার নাকি ভাত-মাছ? বাংলাদেশে বিড়ালের খাবার নিয়ে ডাক্তারের সৎ গাইড — বিড়ালের আসলে কী দরকার, ঘরের খাবার কীভাবে ব্যালান্স করবেন, কতটুকু দেবেন।

আপনার প্রাণীকে নিয়ে চিন্তিত? এখনই কথা বলুন।

ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন — দিন-রাত আমরা উত্তর দিই। জরুরি না হলে সরাসরি ক্লিনিকে চলে আসুন, সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা।