হোম ভিজিটে সবচেয়ে বেশি উপকার যাদের
- ভীত বিড়াল — নিজের জায়গায় অনেক বিড়াল শান্ত থাকে, ভালোভাবে পরীক্ষা করা যায়।
- বয়স্ক প্রাণী — আর্থ্রাইটিস বা হৃদ্রোগে যাতায়াত কষ্টকর।
- বড় কুকুর — রিকশা বা সিএনজিতে নেওয়া কঠিন।
- বাচ্চা ও একাধিক বিড়ালের বাসা — সবাইকে ক্লিনিকে আনা অসুবিধাজনক।
- সেরে ওঠা প্রাণী — সার্জারির পর ক্ষত দেখা।
বাসায় কী হয়, আর কী হয় না
| বাসায় | ক্লিনিকে |
|---|---|
| চেক-আপ ও পরামর্শ | যেকোনো সার্জারি |
| ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক | রক্ত পরীক্ষা ও বেশিরভাগ ল্যাব টেস্ট |
| ক্ষত দেখা ও ড্রেসিং বদলানো | এক্স-রে/ইমেজিং রেফারেল |
| ওষুধ ও ইনজেকশন | ভর্তি ও স্যালাইন |
প্রস্তুতি
আমরা আসার আগে প্রাণীকে একটা ঘরে রাখুন (বিড়াল খাটের নিচে লুকাতে ওস্তাদ), ভ্যাকসিন কার্ড ও ওষুধ হাতের কাছে রাখুন, আর ভালো আলোতে একটা টেবিল বা খালি মেঝে রাখুন। বিড়ালের জন্য একটা তোয়ালে কাজে আসে।