রংপুরের কুকুরের সাধারণ সমস্যা
- পারভোভাইরাস — কুকুরছানার বমি ও রক্ত-পায়খানা।
- ডিস্টেম্পার — চোখ-নাকে ময়লা, কাশি, তারপর কাঁপুনি। ভ্যাকসিনে প্রতিরোধযোগ্য।
- টিকবাহিত রোগ — ব্যাবেসিয়া বা এরলিকিয়ায় জ্বর, দুর্বলতা, ফ্যাকাশে মাড়ি ও রক্তপাত।
- চামড়ার রোগ — মেঞ্জ, ফাঙ্গাস ও অ্যালার্জি, বর্ষায় বাড়ে।
- ক্ষত ও হাড় ভাঙা — সড়ক দুর্ঘটনা ও কুকুরের মারামারি।
- লেপ্টোস্পাইরোসিস — ইঁদুরের প্রস্রাব ও বন্যার পানিতে ছড়ায়; আমাদের কুকুরের ভ্যাকসিনে অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশের প্রতিটি কুকুরের যে ভ্যাকসিন দরকার
| ভ্যাকসিন | কখন | বুস্টার |
|---|---|---|
| DHPPi(+L) | ৬–৮, ১০–১২ ও ১৪–১৬ সপ্তাহে | প্রতি বছর |
| র্যাবিস | ১২ সপ্তাহ থেকে | প্রতি বছর |
নির্দিষ্ট তারিখ পেতে ভ্যাকসিন শিডিউল টুল দেখুন। র্যাবিস ভ্যাকসিন আপনার কুকুর ও পরিবার দুজনকেই সুরক্ষা দেয় — বাংলাদেশে কুকুরের জন্য এটাই সবচেয়ে জরুরি ভ্যাকসিন। বিস্তারিত পড়ুন কুকুরের ভ্যাকসিন গাইডে।
কুকুরকে সঠিক খাবার
শুধু ভাত-তরকারির উচ্ছিষ্ট খাওয়া কুকুর প্রায়ই মোটা হয়, চুলকায় বা পেট খারাপ হয় — আর তরকারির পেঁয়াজ-রসুন কুকুরের জন্য বিষাক্ত। খাবারের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন, আর নিজের প্লেট থেকে দেওয়ার আগে বিষাক্ত খাবারের তালিকা দেখে নিন।